ধ্বনিতত্ত্ব (দ্বিতীয় অধ্যায়)

ষষ্ঠ শ্রেণি (মাধ্যমিক) - বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - ক. ব্যাকরণ | NCTB BOOK
3.5k
Please, contribute by adding content to ধ্বনিতত্ত্ব.
Content

বাগ্‌যন্ত্র (২.১)

1.3k

ধ্বনির উচ্চারণে মানবশরীরের যেসব প্রত্যঙ্গ জড়িত সেগুলোকে একত্রে বাগ্যন্ত্র বা বাকপ্রত্যঙ্গ বলে। আমাদের শরীরের উপরের প্রত্যঙ্গগুলো বাগ্যন্ত্র হিসেবে পরিচিত। এগুলোর প্রধান কাজ দুটি- (ক) শ্বাসকার্য পরিচালনা করা এবং (খ) খাদ্য গ্রহণ করা। কিন্তু এসব প্রয়োজন সিদ্ধ করেও বাগ্যন্ত্র মানুষের ভাষিক কাজ করে থাকে। বাগ্যন্ত্রের সাহায্যে আমরা ধ্বনি উৎপাদন করি। বাগ্যন্ত্রের এলাকা বিস্তৃত। এর মধ্যে রয়েছে ফসুফুস, শ্বাসনালি, স্বরযন্ত্র, স্বরতন্ত্র, জিভ, ঠোঁট, নিচের চোয়াল, দাঁত তালু ও গলনালি। এ ছাড়াও রয়েছে মধ্যচ্ছদা ও চিবুক।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

স্বরধ্বনি (২.২)

452

যে-বাগধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস-আগত বাতাস মুখের মধ্যে কোনোভাবে বাধাপ্রাপ্ত হয় না, সেগুলোই হলো স্বরধ্বনি। যেমন- অ, আ, ই, উ। কিছু স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস বাধাহীনভাবে একই সঙ্গে মুখ ও নাক দিয়ে বের হয়। যেমন- আঁ, ইঁ, এঁ, ওঁ ইত্যাদি।

Content added By

স্বরধ্বনির উচ্চারণ (২.২)

2.5k

স্বরধ্বনির উচ্চারণে তিনটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো হলো জিভের উচ্চতা, জিভের অবস্থান ও ঠোঁটের আকৃতি। এ ছাড়া আরও একটি বিষয়কে গুরুত্ব দিতে হয়, তা হলো কোমল তালুর অবস্থা। কোমল তালুর অবস্থা অনুযায়ী স্বরধ্বনিগুলোকে মৌখিক ও অনুনাসিক স্বরধ্বনি হিসেবে উচ্চারণ করতে হয়।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

জিভের অবস্থা (২.২.১)

501

জিভের যে-অংশের সাহায্যে স্বরধ্বনি উচ্চারিত হয়, সেই অংশকে গুরুত্ব দিয়ে স্বরধ্বনিগুলোকে যথাক্রমে (ক) সম্মুখ, (খ) মধ্য ও (গ) পশ্চাৎ ধ্বনি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

ক) সম্মুখ স্বরধ্বনি: জিভের সামনের অংশের সাহায্যে উচ্চারিত স্বরধ্বনিগুলো হলো সম্মুখ স্বরধ্বনি। ই, এ, অ্যা স্বর এজাতীয়।
খ) মধ্য-স্বরধ্বনি: জিভ স্বাভাবিক অবস্থায় থেকে অর্থাৎ, সামনে কিংবা পেছনে না-সরে যেসব স্বরধ্বনি উচ্চারিত হয়, সেগুলো হলো মধ্য-স্বরধ্বনি। আ স্বরধ্বনি এ-শ্রেণির।
গ) পশ্চাৎ স্বরধ্বনি: এজাতীয় স্বরধ্বনিগুলো জিভের পেছনের অংশের সাহায্যে উচ্চারণ করতে হয়। যেমন- অ, ও, উ।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

মধ্য স্বরধ্বনি
পশ্চাৎ স্বরধ্বনি
উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি
সম্মুখ স্বরধ্বনি
উচ্চ স্বরধ্বনি
সম্মুখ স্বরধ্বনি
পশ্চাৎ স্বরধ্বনি
মধ্য স্বরধ্বনি

জিভের উচ্চতা (২.২.২)

1k

জিভের উচ্চতা অনুসারে স্বরধ্বনিগুলোকে (ক) উচ্চ, (খ) নিম্ন, (গ) উচ্চ-মধ্য ও (ঘ) নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি হিসেবে নির্দেশ করা হয়।

ক) উচ্চ-স্বরধ্বনি: এগুলোর উচ্চারণের সময় জিভ সবচেয়ে উপরে ওঠে। যেমন- ই, উ।
খ) নিম্ন-স্বরধ্বনি: জিভ সবচেয়ে নিচে অবস্থান করে এসব স্বরধ্বনি উচ্চারিত হয়। আ, এ এ-শ্রেণির ধ্বনির দৃষ্টান্ত।
গ) উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি: এজাতীয় স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিভ নিম্ন-স্বরধ্বনির তুলনায় উপরে এবং উচ্চ-স্বরধ্বনির তুলনায় নিচে থাকে। যেমন- এ, ও।
ঘ) নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি: এসব স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিভ উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনির তুলনায় নিচে এবং নিম্ন-স্বরধ্বনি থেকে উপরে ওঠে। যেমন- অ্যা, ও।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি
নিম্ন-স্বরধ্বনি
উচ্চ স্বরধ্বনি
নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি
উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি
নিম্ন-স্বরধ্বনি
উচ্চ স্বরধ্বনি
নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি

ঠোঁটের অবস্থা (২.২.৩)

1.2k

ঠোঁটের অবস্থা অনুযায়ী স্বরধ্বনিগুলোর উচ্চারণে দু-ধরনের বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়- ঠোঁট গোলাকৃত অথবা অগোলাকৃত অবস্থায় থাকতে পারে। ঠোঁটের এইসব অবস্থাভেদে স্বরধ্বনিগুলোকে গোলাকৃতঅগোলাকৃত স্বরধ্বনি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যেসব স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় ঠোঁট গোলাকৃত হয়, সেই স্বরধ্বনিগুলোই হলো গোলাকৃত স্বরধ্বনি। যেমন- অ, ও, উ। অন্যদিকে যেসব স্বরধ্বনির উচ্চারণে ঠোঁট গোল না-হয়ে বিস্তৃত অবস্থায় থাকে, সেগুলোই হলো অগোলাকৃত স্বরধ্বনি। যেমন- ই, এ, অ্যা।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

হ্রস্ব ও দীর্ঘ স্বর (২.২.৪)

1k

বিশ্বের বহু ভাষায় একই স্বরধ্বনির দুটি উপলব্ধি আছে। উচ্চারণকালে কিছু স্বরধ্বনি স্বল্পকাল স্থায়ী হয়, সে-তুলনায় অন্যগুলো অধিক সময় স্থায়ী হয়। দীর্ঘস্বর উচ্চারণের সময় আরও দুটি দিক খেয়াল করতে হবে- (ক) নিচের চোয়ালের মাংসপেশিতে বেশি চাপ পড়বে এবং (খ) মুখ দিয়ে হ্রস্ব স্বরের তুলনায় অধিক বাতাস বের হবে। স্বরের হ্রস্ব-দীর্ঘ উচ্চারণভেদে দুটি ভিন্ন অর্থবোধক শব্দ তৈরি হয়। যেমন- ইংরেজি bit ও beat শব্দের উচ্চারণ। প্রথম শব্দের ই-ধ্বনি হ্রস্ব (i) আর দ্বিতীয় শব্দের ই দীর্ঘ (i) এবং এই দুই স্বর উচ্চারণের কারণে ইংরেজিতে দুটি ভিন্ন অর্থবাহী শব্দ তৈরি হয়েছে।

বাংলা ভাষার সব স্বরই হ্রস্ব; কিন্তু আমাদের লিখিত ভাষায় কিছু দীর্ঘ বর্ণ রয়েছে। আমরা লিখি 'নদী', 'তরী' ইত্যাদি। এসব শব্দের স্বরের দীর্ঘ উচ্চারণ হয়তো করা যায়, কিন্তু তাতে দুটি ভিন্ন অর্থবাহী শব্দ তৈরি হয় না। অর্থাৎ লিখিত ভাষায় যা-ই থাকুক, আমাদের সব স্বরই হ্রস্ব।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

কোমল তালুর অবস্থা (২.২.৫)

1.3k

মৌখিক স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস কেবল মুখ দিয়ে আর অনুনাসিক স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস একই সঙ্গে মুখ ও নাক দিয়ে বের হয়। জানা দরকার, কীভাবে বাতাস কখনো মুখ, এবং কখনো নাক ও মুখ দিয়ে একসঙ্গে বের হয়। আমাদের মুখের উপরে রয়েছে তালু। এটি দেখতে অনেকটা গম্বুজ-আকৃতির। এই তালুর সামনের অংশ শক্ত কিন্তু পেছনের অংশ নরম। বোঝাই যাচ্ছে যে, শক্ত প্রত্যঙ্গ স্থির, তা নড়াচড়া করতে পারে না। সে-ক্ষমতা আছে কেবল নরম অংশের। নরম বলেই তালুর পেছনের অংশকে বলে কোমল তালু। এ-তালুকে আমরা উপরে ওঠাতে পারি আবার নিচে নামাতে পারি। মৌখিক স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় তা উপরে উঠে গিয়ে নাক দিয়ে বাতাস বেরোনোর পথ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়।

অনুনাসিক স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় কোমল তালু নিচে নেমে যায়। এটি তখন এমন অবস্থায় থাকে যে, বাতাস একই সঙ্গে মুখ ও নাক দিয়ে বের হতে পারে। এভাবে উচ্চারিত স্বরধ্বনিগুলোই হলো অনুনাসিক স্বরধ্বনি। বাতাস বের হওয়ার এই দুই ধরন অনুসারে স্বরধ্বনিগুলোকে ভাগ করা হয়েছে মৌখিক ও অনুনাসিক স্বরধ্বনি হিসেবে। মৌখিক স্বরের অনুনাসিক উচ্চারণ হলে শব্দের অর্থ বদলে যাবে। বাংলা মৌখিক স্বরধ্বনি সাতটি, অনুনাসিক স্বরধ্বনিও সাতটি। নিচের সারণিতে মৌখিক ও অনুনাসিক
স্বরধ্বনিগুলো উল্লেখ করা হলো:

সারণি-০১: বাংলা মৌখিক ও অনুনাসিক স্বরধ্বনির তালিকা

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি
অনুনাসিক স্বরধ্বনি
মৌখিক স্বরধ্বনি
নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি

ব্যঞ্জনধ্বনি (২.৩)

1.3k

যেসব বাগধ্বনি উচ্চারণে ফুসফুস আগত বাতাস মুখের মধ্যে সম্পূর্ণ বন্ধ বা রুদ্ধ হয় অথবা আংশিকভাবে বন্ধ হয় কিংবা সংকীর্ণ পথে বাতাস বেরিয়ে যাওয়ার সময় ঘর্ষণের সৃষ্টি করে সেগুলোই হলো ব্যঞ্জনধ্বনি। কিছু ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস প্রথমে মুখের মধ্যে সম্পূর্ণ বন্ধ হয়, তারপর কেবল নাক দিয়ে বেরিয়ে যায়। যেমন- প্‌ ক্‌ ল্‌ শ্‌ ম্‌ ন্‌ ।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

ব্যঞ্জনধ্বনির উচ্চারণ (২.৩. ১)

589

ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণে দুটি বিষয় বিশেষভাবে খেয়াল করতে হয়। এগুলো হলো ব্যঞ্জনধ্বনির উচ্চারণস্থান ও উচ্চারণরীতি। যে বাগ্যন্ত্রের সাহায্যে ধ্বনি উচ্চারিত হয় তা-ই উচ্চারণস্থান। উচ্চারণরীতি বলতে কীভাবে ধ্বনিটি উচ্চারণ করা হয় তাকে বোঝায়। অর্থাৎ ফুসফুস থেকে আগত বাতাস মুখের মধ্যে বিভিন্ন প্রত্যঙ্গে কীভাবে বাধা পায় সে-সম্পর্কিত ধারণা স্পষ্ট না হলে ধ্বনির প্রকৃত উচ্চারণ সম্ভব নয়। উচ্চারণরীতি আমাদের সে-ধারণা দান করে।

Content added By

উচ্চারণস্থান (২.৩.২)

844

উচ্চারণস্থান অনুসারে বাংলা ব্যঞ্জনধ্বনিগুলোকে দ্বি-ওষ্ঠ্য, দন্ত্য, দন্তমূলীয়, প্রতিবেষ্টিত, দন্তমূলীয়, তালব্য, জিহ্বামূলীয় ও কণ্ঠনালীয় ধ্বনি হিসেবে দেখানো হয়।

দ্বি-ওষ্ঠ্য: দুই ঠোঁট অর্থাৎ উপরের ও নিচের ঠোঁটের সাহায্যে উচ্চারিত ধ্বনিগুলো হলো দ্বি-ওষ্ঠ্য। তা, লা, না শব্দের প্, ফ্, ম্ এ-শ্রেণি ধ্বনি।

দন্ত্য: জিভের সামনের অংশ দ্বারা উপরের পাটি দাঁতের নিচের অংশকে স্পর্শ করে দন্ত্য ধ্বনিগুলো উচ্চারিত হয়। বাংলা ম, প, প, সা শব্দের ত্‌, থ্‌, দ্‌,ধ্‌ ধ্বনিগুলো এ জাতীয়।

দন্তমূলীয়: জিভের সামনের অংশ ও উপরের পাটি দাঁতের মূল বা নিচের অংশের সাহায্যে দন্তমূলীয় ধ্বনি উচ্চারিত হয়। কাতে, দা, ঘ, দ শব্দের স্, ন্, র্, ল্ ব্যঞ্জন এ-শ্রেণির। ন্ ধ্বনিকে দন্ত্য-ন এবং স্ ধ্বনিকে দন্ত্য-স হিসেবে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু এ দুটি ধ্বনির উচ্চারণে কোনোক্রমেই দাঁতের স্পর্শ নেই। আমরা 'কান' শব্দ উচ্চারণ করলেই তা বুঝতে পারি। শব্দটি উচ্চারণের সময় জিভের সামনের অংশ উপরের পাটি দাঁতের মূলকে স্পর্শ করে। একইভাবে 'বস্তা' কিংবা 'রাস্তা' শব্দের স্ উচ্চারণের সময় জিভের সামনের অংশ উপরের পাটি দাঁতের মূলের খুব কাছাকাছি আসে। সে-হিসেবে নৃ এবং স্ ব্যঞ্জনকে দন্ত্যমূলীয়-ন, দন্তমূলীয়-স বলাই বিজ্ঞানসম্মত।

তালব্য-দন্তমূলীয়: জিভের সামনের অংশ উপরের শক্ত তালু স্পর্শ করে তালব্য-দন্তমূলীয় ধ্বনি উচ্চারিত হয়। যেমন- টাক, কা, ডাল, ঢাকা শব্দের ট্, ঠ, ড্, চ্ ধ্বনি।

তালব্য: জিভ প্রসারিত হয়ে সামনের অংশ শক্ত তালু স্পর্শ করে উচ্চারিত ধ্বনিগুলো হলো তালব্য। পন, লনা, জাগরণ, ঝংকার, বাঁশ্ শব্দের চ্‌, ছ্‌, জ্‌, ঝ্‌, শ্ ধ্বনি তালব্য।

জিহ্বামূলীয়: জিভের পেছনের অংশ উঁচু হয়ে আলজিভের মূলের কাছাকাছি নরম তালু স্পর্শ করে জিহ্বামূলীয় ব্যঞ্জন উচ্চারিত হয়। কাক্‌, লা, দা, গন, বা, র শব্দের ক্, খ্‌, গ্‌, ঘ্‌, ঙ্ ধ্বনি এ-জাতীয়। এ ধ্বনিগুলোকে কণ্ঠ্য ধ্বনিও বলে।

কণ্ঠনালীয়: কণ্ঠনালির মধ্যে ধ্বনিবাহী বাতাস বাধা পেয়ে উচ্চারিত ধ্বনিগুলোই কণ্ঠনালীয়। এজাতীয় বাংলা ব্যঞ্জন মাত্র একটি-হ্‌।

সারণি-০২: উচ্চারণস্থান অনুযায়ী বাংলা ব্যঞ্জনধ্বনির তালিকা

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয় প্রত্যঙ্গ (২.৩.৩)

1.1k

প্রতিটি ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সঙ্গে দুটি বাগযন্ত্র জড়িত থাকে। একটি সক্রিয় এবং অন্যটি নিষ্ক্রিয়। যে বাগ্যন্ত্র সচল, অর্থাৎ যাকে আমরা ইচ্ছে মতো উপরে ওঠাতে বা নিচে নামাতে পারি, তাকে বলি সচল বাকপ্রত্যঙ্গ বা সক্রিয় উচ্চারক; আর যে-বাকপ্রত্যঙ্গ স্থির, অর্থাৎ নড়াচড়া করে না, তাকে বলি নিষ্ক্রিয় বাকপ্রত্যঙ্গ বা নিষ্ক্রিয় উচ্চারক। নিচে সারণিতে বাংলা ব্যঞ্জনধ্বনিগুলোর উচ্চারণস্থান অনুযায়ী সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয় উচ্চারকের পরিচয় দেওয়া হলো।

উচ্চারণস্থানসক্রিয় উচ্চারকনিষ্ক্রিয় উচ্চারক
দ্বি-ওষ্ঠ্যনিচের ঠোঁটউপরের ঠোঁট
দন্ত্যজিভের ডগাউপরের পাটির দাঁত
দন্তমূলীয়জিভের ডগাদন্তমূল
তালব্য-দন্তমূলীয়জিভের পাতাদন্তমূলের পেছনের অংশ
তালব্যজিভের সামনের অংশশক্ত তালু
জিহ্বামূলীয়জিভের পেছনের অংশকোমল তালু জিভের পেছনের অংশ যা আলজিভের নিচে রয়েছে।
কণ্ঠনালীয়স্বরতন্ত্র-
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

উচ্চারণরীতি (২.৩.৪)

474

বিভিন্ন রকম বাগধ্বনি উচ্চারণের সময় ঠোঁট, জিভ, জিহ্বামূল বিভিন্ন অবস্থান ও আকৃতি ধারণ করে। এসব বাক-প্রত্যঙ্গের আলোকে ধ্বনিবিচারের প্রক্রিয়াই উচ্চারণরীতি হিসেবে পরিচিত। অন্যভাবে বলা যায়, বায়ুপ্রবাহ কীভাবে বিভিন্ন বাকপ্রত্যঙ্গে বাধাপ্রাপ্ত হয়, তা-ই হলো উচ্চারণরীতি। বায়ুপ্রবাহের এই বাধার প্রকৃতি বিচার করে, অর্থাৎ উচ্চারণরীতি অনুসারে ব্যঞ্জনধ্বনিগুলোকে (১) স্পৃষ্ট/স্পর্শ, (২) ঘর্ষণজাত (৩) কম্পিত, (৪) তাড়িত, (৫) পার্শ্বিক ও নৈকট্যমুলক ধ্বনি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। নিচে এগুলো আলোচনা করা হলো।

১. স্পৃষ্ট/স্পর্শ: মুখের মধ্যে ফুসফুস-আগত বাতাস প্রথমে কিছুক্ষণের জন্য সম্পূর্ণ রুদ্ধ বা বন্ধ হয় এবং এরপর মুখ দিয়ে বেরিয়ে গিয়ে উচ্চারিত ধ্বনিগুলোই হলো স্পষ্ট। যেমন- বক্ শব্দের ক্, পাট শব্দের ট্। উচ্চারণস্থান অনুযায়ী স্পৃষ্ট ধ্বনিগুলো এভাবে দেখানো যায়:

ওষ্ঠ্য: প্‌, ফ্‌, ব্‌, ভ্‌

দন্ত্য: ত্‌, থ্‌, দ্‌, ধ্‌

তালব্য-দন্তমূলীয়: ট্‌, ঠ্‌, ড্‌, ঢ্‌

তালব্য: চ্‌, ছ্‌, জ্‌, ঝ্‌

জিহ্বামূলীয়: ক্‌, খ্‌, গ্‌, ঘ্‌

২. নাসিক্য: যেসব ব্যঞ্জন উচ্চারণের সময় বাতাস কেবল নাক দিয়ে বের হয়, সেগুলো হলো নাসিক্য ব্যঞ্জন। যেমন- আ, ধা, ব্যা (ব্যাং) শব্দের ম্, ন্, ভ্‌। উচ্চারণস্থান অনুসারে নাসিক্য ব্যঞ্জনধ্বনিগুলো হলো:

দ্বি-ওষ্ঠ্য : ম্

দন্তমূলীয় : ন্

জিহ্বামূলীয় :ঙ্‌

৩. ঘর্ষণজাত: এজাতীয় বাধ্বনি উচ্চারণে বাগ্যন্ত্র দুটি খুব কাছাকাছি আসে; কিন্তু একসঙ্গে যুক্ত না- হওয়ায় একটি প্রায়-বদ্ধ অবস্থার সৃষ্টি হয়। ফলে ফুসফুস-আগত বাতাস বাধা পায় ও সংকীর্ণ পথে বের হওয়ার সময় ঘর্ষণের সৃষ্টি করে। বাতাসের ঘর্ষণের ফলে উচ্চারিত হয় বলে এগুলোকে ঘর্ষণজাত ধ্বনি বলে। এই ঘর্ষণকে শিস দেওয়ার আওয়াজের সদৃশ ভেবে এগুলোকে শিসধ্বনি-ও বলে। বাংলা ঘর্ষণজাত ব্যঞ্জন তিনটি- স্, শ্ এবং হ্। আসমান, দাশ, হাট শব্দের উচ্চারণে আমরা এই ধ্বনিগুলো পাই। উচ্চারণস্থান অনুযায়ী এই তিনটি ঘর্ষণজাত ধ্বনিকে এভাবে দেখানো যায়:

দন্তমূলীয় : স্

তালব্য : শ্

কণ্ঠনালীয় : হ্

৪. কম্পিত : জিভ কম্পিত হয়ে উচ্চারিত হয় বলে এজাতীয় ধ্বনিগুলোকে এ-পরিচয়ে চিহ্নিত করা হয়। বাংলা ভাষায় এ-শ্রেণির ধ্বনি মাত্র একটি র্।

৫. তাড়িত: এজাতীয় ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় জিভের সামনের অংশ উলটে গিয়ে উপরের পাটি দাঁতের মূলে একটিমাত্র টোকা দেয়। সে-হিসেবে এগুলোকে টোকাজাত ধ্বনিও বলে। বাংলা ব, গা শব্দের ড়্‌, ঢ়্‌ ধ্বনি তাড়িত।

৬. পার্শ্বিক: এজাতীয় ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস জিভের পেছনের এক পাশ বা দু-পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায় এবং জিভ দাঁত অথবা দন্তমূলে অবস্থান করে। তাল্‌, শা, দ প্রভৃতি শব্দে আমরা যে ল্ ধ্বনি শুনি তা পার্শ্বিক ।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

পার্শ্বিক ধ্বনি
তরল ধ্বনি
শিস ধ্বনি
কম্পিত ধ্বনি

ঘোষ ও অঘোষ ব্যঞ্জন (২.৩.৫)

2.8k

আমাদের গলার মধ্যে একটি বাকপ্রত্যঙ্গ আছে। একে বলে স্বরযন্ত্র। স্বরযন্ত্রের ভেতরে আরও দুটি প্রত্যঙ্গ রয়েছে- স্বররন্ধ্র ও স্বরতন্ত্র। কিছু বাধ্বনি উচ্চারণের সময় শেষের বাকপ্রত্যঙ্গটি, অর্থাৎ স্বরতন্ত্র কম্পিত হয়। স্বরতন্ত্রের কম্পনের ফলে উচ্চারিত ধ্বনিই হলো ঘোষ। স্বরধ্বনি সাধারণত ঘোষ হয়। কিন্তু ব্যঞ্জনধ্বনির ক্ষেত্রে কখনো-কখনো ব্যতিক্রম ঘটে। কিছু ব্যঞ্জন উচ্চারণে স্বরতন্ত্র কম্পিত হয়। এগুলো হলো ঘোষ ব্যঞ্জন। আর যেগুলোর উচ্চারণে স্বরতন্ত্র কম্পিত হয় না, সেগুলো হলো অঘোষ ব্যঞ্জন।
স্বরতন্ত্রের কম্পন অনুযায়ী ব্যঞ্জনধ্বনিগুলোকে এভাবে উল্লেখ করা যায়-

অঘোষ: ক্‌ খ্‌ চ্‌ ছ্‌ ত্‌ থ্‌ প্‌ ফ্‌;

ঘোষ: গ্‌ ঙ্‌ জ্‌ ঝ্‌ ড্‌ ঢ্‌ দ্‌ ধ্‌ ন্‌ ব্‌ ভ্‌ ম্‌ র্‌ ল্‌ ড্‌ ঢ্‌ হ্‌,।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

মহাপ্রাণ ও অল্পপ্রাণ ব্যঞ্জনধ্বনি (২.৩.৬)

1.2k

যে-ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণে মুখ দিয়ে অধিক বাতাস বের হয় ও নিচের চোয়ালের মাংসপেশিতে বেশি চাপ পড়ে সেগুলোই হলো মহাপ্রাণ ব্যঞ্জন। এজাতীয় ধ্বনিগুলোকে অনেকে 'হ-কার জাতীয় ধ্বনি' বলেছেন। মহাপ্রাণ ধ্বনির বিপরীত ধ্বনিগুলোই হলো অল্পপ্রাণ। অর্থাৎ এসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখ দিয়ে কম বাতাস বের হয় এবং নিচের চোয়ালের মাংসপেশিতে কম পড়ে। প্ এবং ফ্ ধ্বনি পরপর উচ্চারণ করলেই বোঝা যায় যে, পৃ উচ্চারণকালে মুখ দিয়ে কম বাতাস বের হয় ও নিচের মাংসপেশিতে কম চাপ পড়ে। এখন মুখগহ্বরের সামনে হাত রেখে ফ্ উচ্চারণ করলে স্পষ্ট হয়ে উঠবে যে, ধ্বনিটি উচ্চারণের সময় মুখ দিয়ে বেরিয়ে যাওয়া বাতাসের পরিমাণ আগের তুলনায় বেশি এবং নিচের চোয়ালের মাংসপেশিতে অধিক চাপ প্রয়োগ করতে হচ্ছে।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

বাংলা স্বরধ্বনির সংখ্যা (২.৪)

2.2k

বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি। এগুলো হলো: ই, এ, অ্যা, আ, অ, উ, ও। এই সাতটি স্বরেরই সাতটি অনুনাসিক উপলব্ধি বা রূপ আছে। এগুলো হলো ইঁ, এঁ, অ্যাঁ, আঁ, অঁ, উঁ, ওঁ। মনে রাখতে হবে যে, মৌখিক স্বরের অনুনাসিক উচ্চারণ করলে দুটি ভিন্ন অর্থবাহী শব্দ তৈরি হবে। যেমন- 'বাধা' ও 'বাঁধা'। বাংলা মৌলিক ও অনুনাসিক স্বরধ্বনি মিলে স্বরধ্বনি ১৪টি।

Content added || updated By

স্বরবর্ণ (২.৪.১)

436

বাংলা স্বরবর্ণ ১১টি। এগুলো হলো:
অ আ ই ঈ
উ উ ঋ
এ ঐ ও ঔ

এগুলোর কয়েকটি ধ্বনি নয়। আমরা আগেই বলেছি যে, বাংলায় কোনো দীর্ঘস্বর নেই। সে-হিসেবে ঈ, ঊ ধ্বনি নয়। একই কথা খাটে ঋ, ঐ, ঔ-এর বেলায়। ঋ বললে দুটি ধ্বনির উচ্চারণ আসে র্ + ই (রি); অনুরূপভাবে ঐ-তে আসে ও ই এবং ঔ-তে আসে ও উ। এগুলোকে বলা যায় দ্বৈতবর্ণ (degraph)। ঋ-তে একটি ব্যঞ্জন ও একটি স্বর এবং ঐ, ঔ-তে দুটি করে স্বর আছে। এসব বর্ণ ধ্বনির প্রতিনিধিত্ব না-করার কারণ কী? উত্তর খুব সহজ। ভাষা যেমন মানুষ একদিনে অর্জন করতে পারেনি, ভাষাকে লিখিত আকারে ধরে রাখার কৌশল আয়ত্ত করতেও মানুষের অনেক সময় লেগেছে। লেখার প্রয়োজনে একটি ধ্বনি বোঝানোর জন্য একাধিক বর্ণ উদ্ভাবন ও ব্যবহার করতে হয়েছে। তারপর দীর্ঘকাল ব্যবহারের মাধ্যমে লিখনব্যবস্থার সংস্কার করতে হয়েছে। বিশ্বে কোনো ভাষাতে ধ্বনি ও বর্ণের মধ্যে এক-এক বা সুষম সম্পর্ক নেই। আমরা যা বলি, লিখিত ভাষায় তা সেভাবে লেখা হয় না। আমাদের ভাষার অনেক শব্দ ও ভাষিক উপাদান সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে। এগুলোর পরিচয় যেমন ভিন্ন, তেমনি লেখার ব্যবস্থাও পৃথক। লেখার এ-বিধি এখনো পরিবর্তন করা যায়নি। তা সম্ভবও নয়। ইংরেজি, লাতিন গ্রিক, জার্মান ইত্যাদি ভাষার শব্দ ও ভাষিক উপাদান রয়েছে। ইংরেজিভাষীরা লিখনপদ্ধতি শেখার সময় সেগুলো মূল ভাষার বানানসহই শেখে এবং সেভাবে লেখে। আমাদেরও এগুলো জানতে হবে, শিখতে হবে সংস্কৃত শব্দগুলো এবং সেসব শব্দ লেখার নিয়মনীতি। (বাংলা বানান অংশে এ-সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে)

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

কার ও ফলা (২.৫)

4.8k

বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের দুটি রূপ আছে- একটি পূর্ণরূপ, অন্যটি হলো সংক্ষিপ্তরূপ বা কার

স্বরবর্ণের পূর্ণরূপ

স্বরবর্ণ যখন স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয়, তখন এর পূর্ণরূপ লেখা হয়। যেমন- অ আ ই ঈ উ ঊ ঋ এ ঐ ও ঔ। স্বরবর্ণের পূর্ণরূপ শব্দের শুরুতে, মাঝে, শেষে- তিন অবস্থানেই থাকতে পারে। যেমন-
শব্দের শুরুতে : অলংকার, আকাশ, ইলিশ, উপকার, এলাচ, ঐক্য, ওল, ঔপন্যাসিক।
শব্দের মাঝে : কুরআন, বইচি, আউশ।
শব্দের শেষে : সেমাই, জামাই, বউ।

স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্তরূপ

স্বরধ্বনি যখন ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়ে উচ্চারিত হয়, তখন স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ বা কার ব্যবহৃত হয়।
নিচে উদাহরণ দেওয়া হলো:
আ-কার-। : বাবা
ই-কার -ি : নিশি
ঈ-কার -ী : মনীষী
উ-কার ু : ভুল
ঊ-কারূ- : দূর
ঋ-কার -ৃ : পৃথিবী
এ-কার- ে: জেলে
ঐ-কার- ৈ : হৈ চৈ
ও-কার- াে: ঢোল
ঔ-কার- ৗে/ৗে : মৌন।

বাংলা ব্যঞ্জনধ্বনির সংখ্যা

বাংলা ব্যঞ্জনধ্বনির সংখ্যা ৩২টি। এগুলো হলো:

বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ

বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের যে-তালিকা আমরা পাই তাতে বর্ণ রয়েছে ৩৯টি। এগুলো হলো:

ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে এ-তালিকা মিলিয়ে দেখলে আমরা পাচ্ছি অতিরিক্ত ৮টি বর্ণ- ঞ, য, ণ, ষ, ৎ, ং, ঃ, । এগুলো কোনো ধ্বনি প্রকাশ করে না। ন এবং ণ-এর উচ্চারণ অভিন্ন। যেমন- বান, বাণ। লিখিত ভাষায় এ দুয়ের অর্থ আলাদা, একটি 'বন্যা', আরেকটি 'তীর'। ষ-এর উচ্চারণ শ-এর মতো। বানানে 'ভাষা' লিখলেও উচ্চারণ করতে হয় 'ভাশা'। ত এবং ৎ-এর উচ্চারণ একই। যেমন- 'মত', 'সৎ'। ঙ, ং-এর উচ্চারণেও কোনো পার্থক্য নেই। যেমন- 'ব্যাঙ'/'ব্যাং'। বিসর্গ (ঃ) এবং চন্দ্রবিন্দু () স্বতন্ত্র বর্ণ নয়। এগুলো ধ্বনি প্রকাশের বা উচ্চারণ-নির্দেশের অণুচিহ্ন। আরবিতে যেমন হরকত আছে এগুলো তেমনি। ঞ-এর উচ্চারণ কখনো অঁ যেমন- মিঞা (মিয়াঁ) মিঞ (মিয়োঁ), কখনো দন্তমূলীয় ন্ ধ্বনির মতো, যেমন- ব্যঞ্জন (ব্যাজোন), লাঞ্ছনা (লাহানা)। বিসর্গের (ঃ) সাহায্যে ধ্বনির দ্বিত্ব উচ্চারণ বোঝায়। যেমন-'অতঃপর' উচ্চারণ করতে হয় অতোত্পর্; প্রাতঃরাশ>প্রাতোৱাশ্। অনুরূপ নির্দেশ ব্যঞ্জনের নিচে অন্তস্থ-ব (ব) দিয়ে করা হয়। যেমন- বিশ্ব বিশো; অশ্ব অশো। চন্দ্রবিন্দুর সাহায্যে স্বরের অনুনাসিকতা বোঝায়। যেমন- আ>আঁ; ই>ই; উ>উঁ। 'য' এর উচ্চারণ 'জ' এর মত। যেমন: যদি>জদি; যাই. জাই।

Content added By

ব্যঞ্জনবর্ণ (২.৬)

965

ব্যঞ্জনধ্বনি প্রকাশের জন্য যেসব বর্ণ ব্যবহার করা হয় সেগুলোই ব্যঞ্জনবর্ণ। বাংলা ভাষার ব্যঞ্জনবর্ণগুলো লেখার সময় কয়েকভাবে লেখা হয়। তখন এগুলোকে বিভিন্ন নামে উল্লেখ করা হয়। নিচে এসব আলোচনা করা হলো।

ব্যঞ্জনবর্ণের পূর্ণরূপ

ব্যঞ্জনবর্ণ যখন স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয়, তখন এর পূর্ণরূপ লেখা হয়। ব্যঞ্জবর্ণের পূর্ণরূপ শব্দের শুরুতে, মাঝে, শেষে- তিন অবস্থানে থাকতে পারে। যেমন-
শব্দের শুরুতে : কলম, খাতা, গগন, ঘর।
শব্দের মাঝে : পাগল, সকল, সজল, সাঁঝ।
শব্দের শেষে : অলক, বাঘ, বৈশাখ, রোগ।

ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্তরূপ

স্বরবর্ণ যেমন ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হলে আকৃতির পরিবর্তন হয়, তেমনি কিছু ব্যঞ্জনবর্ণ কিছু স্বরবর্ণ কিংবা ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হলে আকৃতির পরিবর্তন হয় এবং সংক্ষিপ্ত রূপে ব্যবহৃত হয়। ব্যঞ্জনবর্ণের এই সংক্ষিপ্ত রূপকে ফলা বলে। যে-ব্যঞ্জনটি যুক্ত হয় তার নাম অনুসারে ফলার নামকরণ হয়। যেমন-

ম-এ য-ফলা : ম্য
ম-এ র-ফলা : ম্র
ম-এ ল-ফলা : ম্ল
ম-এ ব-ফলা : ম্ব।

ফলার রূপ এরকম:

য-ফলা (্য) : ব্যাঙ, ধান্য, সহ্য
ব-ফলা : শ্বাস, বিল্ব, অশ্ব
ম-ফলা : পদ্ম, সম্মান, স্মরণ
র-ফলা (্র): প্রমাণ, শ্রান্ত, ক্ষিপ্র
ন-ফলা : রত্ন, স্বপ্ন, যত্ন
ল-ফলা (ল) : অম্ল, ম্লান, ক্লান্ত।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হলে
অন্য বর্ণের সাথে যুক্ত হলে
পরাধীন থাকলে
কখনো লেয়া হয় না

যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ ও বিশ্লেষণ (২.৭)

4k

দুই বা তার চেয়ে বেশি ব্যঞ্জনধ্বনির মধ্যে কোনো স্বরধ্বনি না থাকলে ব্যঞ্জনধ্বনি দুটি একত্রে লেখা হয়। যেমন- ব্‌ + অ + ক্+ত্ + আ = বক্তা। এখানে দ্বিতীয় বর্ণ ক্ + ত-এর মূল রূপ পরিবর্তিত হয়ে ক্ত হয়েছে। যুক্তব্যঞ্জন কয়েক ধরনের হতে পারে। যেমন- দ্বিত্ব ব্যঞ্জন, সাধারণ যুক্তব্যঞ্জন।

ক) দ্বিত্ব ব্যঞ্জন: একই ব্যঞ্জন পরপর দুবার ব্যবহৃত হলে তাকে দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বলে। যেমন- উচ্চ (চ+চ), বিপন্ন (ন+ন), সজ্জন (জ্+জ), সম্মান (ম্+ম)।

খ) সাধারণ যুক্তব্যঞ্জন: ব্যঞ্জনদ্বিত্ব ছাড়া সব ব্যঞ্জনসংযোগকে সাধারণ যুক্তব্যঞ্জন বলে। যেমন-
লক্ষ (ক+ষ), বক্র (ক+র), পন্থা (ন+থ), বন্ধ (ন+ধ)। কয়টি ব্যঞ্জন যুক্ত হয়ে যুক্তব্যঞ্জন গঠিত হচ্ছে, তার উপর নির্ভর করে সাধারণ যুক্তব্যঞ্জন কয়েক রকমের হয়। যেমন-
দুটি ব্যঞ্জনের সংযোগ : ক্+ত=ক্ত -রক্ত, দ্‌+ধ=দ্ধ-বৃদ্ধ।
তিনটি ব্যঞ্জনের সংযোগ : জ্+জ্+ব=জ্জ্ব -উজ্জ্বল, ম্+প্+র=ম্প্র-সম্প্রদান।
চারটি ব্যঞ্জনের সংযোগ : ন্‌+ত+র+যন্ত্র্য -স্বাতন্ত্র্য।

চেনা বা শনাক্তকরণের সুবিধা বা অসুবিধার দিক থেকে যুক্তব্যঞ্জন দু-প্রকারে নির্দেশ করা হয়- (ক) স্বচ্ছ যুক্তব্যঞ্জন ও (খ) অস্বচ্ছ যুক্তব্যঞ্জন। যেসব যুক্তব্যঞ্জনের মধ্যকার প্রতিটি বর্ণের রূপ স্পষ্ট, সেগুলোকে স্বচ্ছ যুক্তব্যঞ্জন বলে। যেমন-
ঙ্খ (ঙ+খ) : শঙ্খ, পঙ্খী।
স্ত (স্+ত) : রাস্তা, সমস্ত।
ম্প (ম্+প) : কম্পন, কম্পিউটার।
শ্চ (শ্+চ) : পশ্চিম, আশ্চর্য।
ন্দ (ন্‌+দ) : আনন্দ, সুন্দর।

যেসব যুক্তব্যঞ্জনের মধ্যকার সব কটি বা কোনো কোনো বর্ণের রূপ স্পষ্ট নয়, সেগুলোকে অস্বচ্ছ যুক্তব্যঞ্জন বলে। যেমন -

ক্র (ক্+র) : আক্রমণ, চক্র।
ক্ষ (ক্+ষ) : শিক্ষা, লক্ষ।
হ্ম (হ্‌+ম) : ব্রহ্ম, ব্রাহ্মণ।
গ্ধ (গ্‌+ধ) : দুগ্ধ, মুগ্ধ।
ত্র (ত্‌+র) : পত্র, নেত্র।
খ (ত্‌+থ) : উত্থান, উত্থিত।
হ্ন (হ্+ন) : অহ্ন, বহ্নি।
ষ্ণ (ষ্‌+ণ) : উষ্ণ, তৃষ্ণা।
ঞ্জ (ঞ্‌+জ) : গঞ্জ, সঞ্জয়।
জ্ঞ (জ্‌+ঞ) : অজ্ঞ, বিজ্ঞান।
ঞ্চ (ঞ্‌+চ) : পঞ্চাশ, মঞ্চ

যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ বিশ্লেষণ

যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণকে বিশ্লেষণ করাই যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ বিশ্লেষণ। যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণগুলো বিশ্লেষণ করলে যে রূপ পাওয়া যায় তা নিচে দেখানো হলো:
ক্ত=ক্+ত : শক্ত, রক্ত
ক্র=ক্+র : বক্র, শুক্র
ক্ষ=ক্+ষ: বক্ষ, দক্ষ
ঙ্ক=+ক : অঙ্ক, কঙ্কাল
ঙ্খ =ঙ + খ : শঙ্খ, পঙ্খী
ঙ্গ = ঙ্‌+গ : অঙ্গ, বঙ্গ

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

ধ্বনি-পরিবর্তন : সন্ধি (২.৮)

960

পূর্বের ও পরের ধ্বনির প্রভাবে ধ্বনির যে-পরিবর্তন তা-ই ধ্বনি-পরিবর্তন। যেমন- এক (অ্যা) + টি = একটি- একটি শব্দের পূর্বের ধ্বনিটি হলো অ্যা আর পরের ধ্বনিটি ই। স্বরধ্বনি দুটি উচ্চারণের দিক থেকে এক শ্রেণির নয়। অ্যা হলো নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি আর ই হলো উচ্চ-স্বরধ্বনি। এখানে সেভাবেই অ্যা + ই = অ্যা>এ হয়েছে। সন্ধিতে এভাবেই ধ্বনি পরিবর্তিত হয়। সন্ধি শব্দের অর্থই হলো মিলন। অর্থাৎ দুটি ধ্বনি মিলে একটি ধ্বনি হয়। যেমন- মহা আকাশ মহাকাশ; দিক অন্ত দিগন্ত। প্রথম উদাহরণে আ + আ = আ এবং দ্বিতীয় উদাহরণে ক + অ = ক>গ হয়েছে।

সন্ধির ফলে ধ্বনি কীভাবে পরিবর্তিত হয় তা ধ্বনিতাত্ত্বিক প্রতিবেশ লক্ষ করলে বোঝা যায়। এখানে দুটি প্রতিবেশের সঙ্গে আমরা পরিচিত হই- (ক) একই শব্দের মধ্যে পরিবর্তন বা মিলন এবং (খ) দুটি শব্দের মধ্যে পরিবর্তন বা মিলন। উপরের দৃষ্টান্তের 'একটি' শব্দের ক্ষেত্রে প্রথম শ্রেণির পরিবর্তন ঘটেছে। 'বিদ্যালয়' শব্দে আমরা দ্বিতীয় শ্রেণির পরিবর্তন বা মিলন দেখি- বিদ্যা আলয় (আ+আ=আ)। সন্ধিকে ধ্বনির পরিচয় অনুযায়ী ভাগ করতে গিয়ে তার দুটি বিভাগ নির্দেশ করা হয়- স্বরসন্ধিব্যঞ্জনসন্ধি। নিচে এ-বিষয়ে আলোচনা করা হলো।

স্বরসন্ধি: ধ্বনির পরিবর্তন বা মিলন যখন স্বরধ্বনির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে তখন তাকে বলে স্বরসন্ধি। যেমন- হিত + অহিত = হিতাহিত (অ+ অ = আ)

ব্যঞ্জনসন্ধি: স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি, ব্যঞ্জনধ্বনি ও স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি মিলে যে সন্ধি হয়, তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে। যেমন- মুখ+ছবি = মুখচ্ছবি (অ+ছ=চ্ছ); উৎ+চারণ উচ্চারণ = (ত্+চ=চ্চ)।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

স্বরসন্ধি: সূত্র ও উদাহরণ (২.৮.১)

1.2k

বাংলা ভাষায় আগত সংস্কৃত শব্দগুলোর সন্ধির নিয়ম ঐ ভাষার ব্যাকরণ দ্বারা নির্দিষ্ট করে দেওয়া আছে। এগুলো আমাদের সেভাবেই শিখতে ও ব্যবহার করতে হবে। উদাহরণে এগুলো সেভাবেই দেখানো হলো:

১. অ-ধ্বনির পরে অ থাকলে উভয়ে মিলে আ হয়। যেমন- অ+অ=আ : নব+অন্ন নবান্ন; সূর্য+অস্ত=সূর্যাস্ত।
২. অ-এর পরে আ থাকলে উভয়ে মিলে আ হয়। যেমন- অ+আ=আ : হিম+আলয় হিমালয়; গ্রন্থ+আগার= গ্রন্থাগার।
৩. আ-এর পরে অ থাকলে উভয়ে মিলে আ হয়। যেমন- আ+অ=আ : তথা+অপি=তথাপি; মহা+অর্ঘ =মহার্ঘ।
৪. আ-এর পরে আ থাকলে উভয়ে মিলে আ হয়। যেমন- আ+আ=আ : মহা+আশয় = মহাশয়; কারা+আগার = কারাগার।
৫. ই+ই = ঈ। যেমন- অতি+ইত = অতীত; রবি+ইন্দ্র = রবীন্দ্র।
৬. ই-ধ্বনির পরে ঈ থাকলে উভয়ে মিলে ঈ-ধ্বনি হয়। যেমন- ই+ঈ=ঈ : পরি+ঈক্ষা = পরীক্ষা; প্রতি+ঈক্ষা=প্রতীক্ষা।
৭. ঈ-ধ্বনির পরে ই থাকলে উভয়ে মিলে ঈ-ধ্বনি হয়। যেমন- ঈ-ই=ঈ সুধী+ইন্দ্র=সুধীন্দ্র; শচী+ইন্দ্র=শচীন্দ্র।
৮. ঈ ধ্বনির পর ঈ থাকলে উভয়ে মিলে ঈ-ধ্বনি হয়। যেমন- ঈ+ঈ=ঈ সতী+ঈশ=সতীশ; শ্রী+ঈশ=শ্রীশ।
৯. অবা আধ্বনির পরে ই বা ঈ-ধ্বনি থাকলে উভয়ে মিলে এ-ধ্বনি হয়। যেমন- অ+ই=এ স্ব+ইচ্ছা=স্বেচ্ছা; শুভ+ইচ্ছা শুভেচ্ছা।
১০. অ+ঈ=এ। যেমন- অপ+ঈক্ষা =অপেক্ষা; নর+ঈশ =নরেশ।
১১.আ+ই=এ। যেমন- যথা+ইচ্ছা =যথেচ্ছা।
১২. আ+ঈ=এ। যেমন- মহা+ঈশ =মহেশ, ঢাকা+ঈশ্বরী=ঢাকেশ্বরী।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

সন্ধির প্রয়োজনীয়তা (২.৮.২)

586

সন্ধির মাধ্যমে উচ্চারণে স্বাচ্ছন্দ্য আসে এবং শ্রুতিমাধুর্য বাড়ে। সন্ধি ভাষাকে সংক্ষিপ্ত করে।

Content added By

অনুশীলনী

2.4k

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন

ঠিক উত্তরের পাশে টিকচিহ্ন (√) দাও:

১। ধ্বনির উচ্চারণে মানবশরীরের যেসব প্রত্যঙ্গ জড়িত, সেগুলোকে একত্রে কী বলে?
ক. শ্বাসনালি
খ. স্বরযন্ত্র
গ. গলনালি
ঘ. বাগযন্ত্র

২। আমাদের শরীরের উপরের প্রত্যঙ্গগুলোর প্রধান কাজ-
i. শ্বাসকার্য পরিচালনা করা
ii. খাদ্য গ্রহণ করা
iii. কথা বলা
নিচের কোনটি ঠিক?
ক. i
খ. ii
গ. i ও ii
ঘ. i ও iii

৩। বাগ্যন্ত্রের সাহায্যে আমরা কী উৎপাদন করি?
ক. ধ্বনি
খ. বর্ণ
গ. শব্দ
ঘ. বাক্য

৪। বাগযন্ত্র তৈরি হয়-
i. ফসুফুস, শ্বাসনালি, স্বরযন্ত্র দিয়ে
ii. স্বরতন্ত্র, জিভ, ঠোঁট, নিচের চোয়াল দিয়ে
iii. দাঁত, তালু, গলনালি, মধ্যচ্ছদা, চিবুক দিয়ে
নিচের কোনটি ঠিক?
ক. i
খ. ii
গ. i ও ii
ঘ. i, ii ও iii

৫। যে-বাধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস-আগত বাতাস মুখের মধ্যে কোনোভাবে বাধাপ্রাপ্ত হয় না, সেগুলোকে কী বলে?
ক. স্বরধ্বনি
খ. স্বরবর্ণ
গ. ব্যঞ্জনধ্বনি
ঘ. ব্যঞ্জনবর্ণ

৬। কোন স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস বাধাহীনভাবে একই সঙ্গে মুখ ও নাক দিয়ে বের হয়?
ক. অ
খ. আ
গ. ই
ঘ. উ

৭। স্বরধ্বনির উচ্চারণে কয়টি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ?
ক. দুটি
খ. তিনটি
গ. চারটি
ঘ. পাঁচটি

৮। স্বরধ্বনির উচ্চারণে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো-
i. জিভের উচ্চতা
ii. জিভের অবস্থান
iii. ঠোঁটের আকৃতি
নিচের কোনটি ঠিক?
ক. i
খ. ii
গ. i ও ii
ঘ. i, ii ও iii

৯। কোমল তালুর অবস্থা অনুযায়ী স্বরধ্বনিগুলোকে যে জাতীয় স্বরধ্বনি হিসেবে উচ্চারণ করতে হয় তা হলো-
i. মৌখিক স্বরধ্বনি
ii. অনুনাসিক স্বরধ্বনি
iii. সম্মুখ স্বরধ্বনি
নিচের কোনটি ঠিক?
ক. i
খ. ii
গ. i ও ii
ঘ. i, ii ও iii

১০। জিভের সামনের অংশের সাহায্যে উচ্চারিত স্বরধ্বনিগুলোকে কী বলে?
ক. সম্মুখ স্বরধ্বনি
খ. মধ্য-স্বরধ্বনি
গ. পশ্চাৎ স্বরধ্বনি
ঘ. নিম্ন-স্বরধ্বনি

১১। জিভ স্বাভাবিক অবস্থায় থেকে, অর্থাৎ সামনে কিংবা পেছনে না-সরে যেসব স্বরধ্বনি উচ্চারিত হয়, সেগুলোকে কী বলে?
ক. সম্মুখ স্বরধ্বনি
খ. মধ্য-স্বরধ্বনি
গ. পশ্চাৎ স্বরধ্বনি
ঘ. নিম্ন-স্বরধ্বনি

১২। জিভের পেছনের অংশের সাহায্যে উচ্চারণ করতে হয় যে-স্বরধ্বনি তাকে কী বলে?
ক. সম্মুখ স্বরধ্বনি
খ. মধ্য-স্বরধ্বনি
গ. পশ্চাৎ স্বরধ্বনি
ঘ. নিম্ন-স্বরধ্বনি

১৩। জিভ সবচেয়ে উপরে উঠিয়ে যে-স্বরধ্বনি উচ্চারণ করতে হয় তাকে কী বলে?
ক. উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি
খ. নিম্ন-স্বরধ্বনি
গ. উচ্চ স্বরধ্বনি
ঘ. নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি

১৪। জিভ সবচেয়ে নিচে অবস্থান করে যে-স্বরধ্বনি উচ্চারণ করতে হয় তাকে কী বলে?
ক. উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি
খ. নিম্ন-স্বরধ্বনি
গ. উচ্চ স্বরধ্বনি
ঘ. নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি

১৫। জিভ নিম্ন-স্বরধ্বনির তুলনায় উপরে এবং উচ্চ-স্বরধ্বনির তুলনায় নিচে থেকে যে-স্বরধ্বনি উচ্চারণ করতে হয়, তাকে কী বলে?
ক. উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি
খ. নিম্ন-স্বরধ্বনি
গ. উচ্চ স্বরধ্বনি
ঘ. নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি

১৬। জিভ উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনির তুলনায় নিচে এবং নিম্ন-স্বরধ্বনি থেকে উপরে উঠে যে-স্বরধ্বনি উচ্চারণ করতে হয়, তাকে কী বলে?
ক. উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি
খ. নিম্ন-স্বরধ্বনি
গ. মধ্য স্বরধ্বনি
ঘ. নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি

১৭। ঠোঁটের অবস্থা অনুযায়ী স্বরধ্বনিগুলোর উচ্চারণে কয় ধরনের বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়?
ক. ২
খ. ৩
গ. ৪
ঘ. ৫

১৮। স্বরধ্বনি তৈরির সময় হাঁ করার উপর নির্ভর করে যে-স্বরধ্বনিগুলো গঠিত হয়, সেগুলো হলো-
i. বিবৃত
ii. অর্ধ-বিবৃত
iii. সংবৃত
নিচের কোনটি ঠিক?
ক. i
খ. ii
গ. i ও ii
ঘ. i, ii ও iii

১৯। যেসব স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় ঠোঁট গোলাকৃত হয় সেই স্বরধ্বনিগুলোকে কী বলে?
ক. গোলাকৃত স্বরধ্বনি
খ. অগোলাকৃত স্বরধ্বনি গ. সংবৃত স্বরধ্বনি
ঘ. বিবৃত স্বরধ্বনি

২০। গোলাকৃত স্বরধ্বনি কোনটি?
ক. অ
খ. আ
গ. ই
ঘ. এ

২১। যেসব স্বরধ্বনির উচ্চারণে ঠোঁট গোল না-হয়ে বিস্তৃত অবস্থায় থাকে, সেগুলোকে কী বলে?
ক. গোলাকৃত স্বরধ্বনি
খ. অগোলাকৃত স্বরধ্বনি
গ. সংবৃত স্বরধ্বনি
ঘ. বিবৃত স্বরধ্বনি

২২। অগোলাকৃত স্বরধ্বনি কোনটি?
ক. অ
খ. আ
গ. এ
ঘ. ও

২৩। বাংলার সব স্বর-
i. হ্রস্ব
ii. দীর্ঘ
iii. কোনোটি নয়
নিচের কোনটি ঠিক?
ক. i
খ. ii
গ. i ও ii
ঘ. i, ii ও iii

২৪। তালুর পেছনের অংশকে বলে-
i. শক্ত তালু
ii. কোমল তালু
iii. কোনোটি নয়
নিচের কোনটি ঠিক?
ক. i
খ. ii
গ. i ও ii
ঘ. i, ii ও iii

২৫। একই সঙ্গে মুখ ও নাক দিয়ে বের হয়ে যে-ধ্বনি উচ্চারিত হয়, তাকে কী বলে?
ক. উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি
খ. অনুনাসিক স্বরধ্বনি
গ. মৌখিক স্বরধ্বনি
ঘ. নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি

২৬। কোন ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস প্রথমে মুখের মধ্যে সম্পূর্ণ বন্ধ হয় তারপর কেবল নাক দিয়ে বেরিয়ে যায়?
ক. খ
খ. ল্
গ. ট্
ঘ. থ্

২৭। ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণে যে বিষয়ের উপর বিশেষভাবে খেয়াল করতে হবে তা হলো-
i. উচ্চারণস্থান
ii. উচ্চারণরীতি
iii. কোনোটি নয়
নিচের কোনটি ঠিক?
ক. i
খ. ii
গ. i ও ii
ঘ. i, ii ও iii

২৮। উচ্চারণস্থান অনুসারে বাংলা ব্যঞ্জনধ্বনিগুলোকে যে ধ্বনি হিসেবে দেখানো হয়, তা হলো-
i. দ্বি-ওষ্ঠ্য, দন্ত্য
ii. দন্তমূলীয়, প্রতিবেষ্টিত, তালব্য-দন্তমূলীয়
iii. তালব্য, জিহ্বামূলীয়, কণ্ঠনালীয়
নিচের কোনটি ঠিক?
ক. i
খ. ii
গ. i ও ii
ঘ. i, ii ও iii

২৯। উপরের ও নিচের ঠোঁটের সাহায্যে উচ্চারিত ধ্বনিগুলোকে কী বলে?
ক. দন্তমূলীয় ধ্বনি
খ. দন্ত্য ধ্বনি
গ. দ্বি-ওষ্ঠ্য ধ্বনি
ঘ. তালব্য-দন্তমূলীয় ধ্বনি

৩০। জিভের সামনের অংশ উপরের পাটি দাঁতের নিচের অংশকে স্পর্শ করে কোন ধ্বনি উচ্চারিত হয়?
ক. দন্তমূলীয় ধ্বনি
খ. দন্ত্য ধ্বনি
গ. দ্বি-ওষ্ঠ্য ধ্বনি
ঘ. তালব্য-দন্তমূলীয় ধ্বনি

৩১। জিভের সামনের অংশ ও উপরের পাটি দাঁতের মূল বা নিচের অংশের সাহায্যে কোন ধ্বনি উচ্চারিত হয়?
ক. দন্তমূলীয় ধ্বনি
খ. দন্ত্য ধ্বনি
গ. দ্বি-ওষ্ঠ্য ধ্বনি
ঘ. তালব্য-দন্তমূলীয়

৩২। জিভের সামনের অংশ পেছনে কুঞ্চিত বা বাঁকা হয়ে কোন ধ্বনি উৎপাদিত হয়?
ক. প্রতিবেষ্টিত ধ্বনি
খ. দন্ত্য ধ্বনি
গ. দ্বি-ওষ্ঠ্য ধ্বনি
ঘ. তালব্য-দন্তমূলীয় ধ্বনি

৩৩। জিভের সামনের অংশ উপরে গিয়ে শক্ত তালু স্পর্শ করে কোন ধ্বনি উচ্চারিত হয়?
ক. প্রতিবেষ্টিত ধ্বনি
খ. দন্ত্য ধ্বনি
গ. দ্বি-ওষ্ঠ্য ধ্বনি
ঘ. তালব্য-দন্তমূলীয় ধ্বনি

৩৪। জিভ প্রসারিত হয়ে সামনের অংশ শক্ত তালু স্পর্শ করে কোন ধ্বনি উচ্চারিত হয়?
ক. প্রতিবেষ্টিত ধ্বনি
খ. দন্ত্য ধ্বনি
গ. দ্বি-ওষ্ঠ্য ধ্বনি
ঘ. তালব্য ধ্বনি

৩৫। জিভের পেছনের অংশ উঁচু হয়ে আলজিভের মূলের কাছাকাছি নরম তালু স্পর্শ করে কোন ধ্বনি উচ্চারিত হয়?
ক. জিহ্বামূলীয় ধ্বনি
খ. দন্ত্য ধ্বনি
গ. দ্বি-ওষ্ঠ্য ধ্বনি
ঘ. তালব্য ধ্বনি

৩৬। কণ্ঠনালির মধ্যে ধ্বনিবাহী বাতাস বাধা পেয়ে উচ্চারিত ধ্বনিগুলো কী?
ক. জিহ্বামূলীয়
খ. দন্ত্য
গ. কণ্ঠনালীয়
ঘ. তালব্য

৩৭। জিহ্বামূলীয় ধ্বনি কোনটি?
ক. খ
খ. ল্
গ. ট্
ঘ. থ্‌


৩৮। কণ্ঠনালীয় ধ্বনি কোনটি?
ক. খ
খ. ল্
গ. হ্
ঘ. থ্

৩৯। যে-বাগ্যন্ত্র সচল তাকে বলে-
i. সচল বাকপ্রত্যঙ্গ
ii. সক্রিয় উচ্চারক
iii. নিষ্ক্রিয় বাকপ্রত্যঙ্গ
নিচের কোনটি ঠিক?
ক. i
খ. ii
গ. i ও ii
ঘ. i, ii ও iii

৪০। যে-বাকপ্রত্যঙ্গ স্থির তাকে বলে-
i. সক্রিয় বাকপ্রত্যঙ্গ
ii. নিষ্ক্রিয় উচ্চারক
iii. নিষ্ক্রিয় বাকপ্রত্যঙ্গ
নিচের কোনটি ঠিক?
ক. i
খ. ii
গ. i ও ii
ঘ. ii ও iii

৪১। কোনটি সক্রিয় উচ্চারক?
ক. জিভের ডগা
খ. দন্তমূল
গ. কোমল তালু
ঘ. উপরের ঠোঁট

৪২। কোনটি নিষ্ক্রিয় উচ্চারক?
ক. জিভের ডগা
খ. কোমল তালু
গ. কুঞ্চিত জিভের ডগা
ঘ. স্বরতন্ত্র


৪৩। উচ্চারণরীতি অনুসারে ব্যঞ্জনধ্বনিগুলোকে যা হিসেবে বিবেচনা করা হয় তা হলো-
i. স্পৃষ্ট/স্পর্শ
ii. ঘর্ষণজাত, কম্পিত
iii. তাড়িত, পার্শ্বিক, নৈকট্যমূলক
নিচের কোনটি ঠিক?
ক. i
খ. ii
গ. i ও ii
ঘ. i, ii ও iii

৪৪। মুখের মধ্যে ফুসফুস-আগত বাতাস প্রথমে কিছুক্ষণের জন্য সম্পূর্ণ রুদ্ধ বা বন্ধ হয় এবং এরপর মুখ দিয়ে বেরিয়ে গিয়ে উচ্চারিত ধ্বনিগুলোকে কী বলে?
ক. নাসিক্য
খ. স্পৃষ্ট
গ. ঘর্ষণজাত
ঘ. কম্পিত

৪৫। যেসব ব্যঞ্জন উচ্চারণের সময় বাতাস কেবল মুখ দিয়ে বের হয় সেগুলোকে কী ধ্বনি বলে?
ক. নাসিক্য
খ. স্পৃষ্ট
গ. ঘর্ষণজাত
ঘ. কম্পিত

৪৬। ঘর্ষণজাত ধ্বনি আর কী ধ্বনি হিসেবে পরিচিত?
ক. নাসিক্য
খ. স্পৃষ্ট
গ. শিস
ঘ. কম্পিত

৪৭। যে-ধ্বনি উচ্চারণকালে জিভ কম্পিত হয় তাকে কী ধ্বনি বলে?
ক. নাসিক্য
খ. স্পৃষ্ট
গ. শিস
ঘ. কম্পিত

৪৮। যে-ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় জিভের সামনের অংশ উল্টে গিয়ে উপরের পাটি দাঁতের মূলে একটি মাত্র টোকা দেয়, তাকে বলে-
i. তাড়িত ধ্বনি
ii. টোকাজাত ধ্বনি
iii. পার্শ্বিক ধ্বনি
নিচের কোনটি ঠিক?
ক. i
খ. ii
গ. i ও ii
ঘ. i, ii ও iii

৪৯। যে-ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস জিভের পেছনের এক পাশ বা দু-পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায় এবং জিভদাঁত অথবা দন্তমূলে অবস্থান করে, তাকে কী ধ্বনি বলে?
ক. পার্শ্বিক
খ. স্পৃষ্ট
গ. শিস
ঘ. কম্পিত

৫০। অন্তস্থ ব্ ও অন্তস্থ য কোন জাতীয় ধ্বনি?
ক. পার্শ্বিক
খ. নৈকট্যমূলক
গ. শিস
ঘ. কম্পিত

৫১। নৈকট্যমূলক ধ্বনির আরেক নাম কী?
ক. পার্শ্বিক ধ্বনি
খ. তরল ধ্বনি
গ. শিস ধ্বনি
ঘ. কম্পিত ধ্বনি

৫২। স্বরযন্ত্রের ভেতরে কোন প্রত্যঙ্গ রয়েছে?
i. স্বররন্ধ্র
ii. স্বরতন্ত্র
iii. সরতন্ত্র
নিচের কোনটি ঠিক?
ক. i
খ. ii
গ. i ও ii
ঘ. i, ii ও iii

৫৩। যে-ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণে মুখ দিয়ে অধিক বাতাস বের হয় ও নিচের চোয়ালের মাংসপেশিতে বেশি চাপ পড়ে, সে ব্যঞ্জনগুলোকে বলে-
i. মহাপ্রাণ
ii. অল্পপ্রাণ
iii. স্বল্পপ্রাণ
নিচের কোনটি ঠিক?
ক. i
খ. ii
গ. i ও ii
ঘ. i, ii ও iii

৫৪। ঘর্ষণজাত ধ্বনি কোনটি?
ক. প্
খ. র্
গ. ঢ্‌
ঘ. শ্

৫৫। বাংলা ভাষায় মৌখিক স্বরধ্বনি কয়টি?
ক. ৬টি
খ. ৭টি
গ. ৮টি
ঘ. ৯টি

৫৬। বাংলা স্বরবর্ণ কটি?
ক. ৮টি
খ. ৯টি
গ. ১০টি
ঘ. ১১টি

৫৭। স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কী বলে?
ক. কার
খ. চিহ্ন
গ. ফলা
ঘ. প্রতীক

৫৮। বাংলা ব্যঞ্জনধ্বনি কটি?
ক. ৩৩টি
খ. ৩৫টি
গ. ৩৭টি
ঘ. ৩৯টি

৫৯। বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ কটি?
ক. ৩৭টি
খ. ৩৮টি
গ. ৩৯টি
ঘ. ৪০টি

৬০। যেগুলো স্বতন্ত্র বর্ণ নয় তা হলো-
i. বিসর্গ (ঃ)
ii. চন্দ্রবিন্দু (°)
iii. অনুস্বার (ং)
কোনটি ঠিক?
ক. i
খ. ii
গ. i ও ii
ঘ. i, ii ও iii

৬১। ব্যঞ্জনবর্ণের পূর্ণরূপ যে অবস্থানে থাকতে পারে তা হলো-
i. শব্দের শুরুতে
ii. শব্দের মাঝে
iii. শব্দের শেষে
নিচের কোনটি ঠিক?
ক. i
খ. ii
গ. i ও ii
ঘ. i, ii ও iii

৬২। ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কী বলে?
ক. কার
খ. চিহ্ন
গ. ফলা
ঘ. প্রতীক

৬৩। একই ব্যঞ্জন পরপর দুবার ব্যবহৃত হলে তাকে কী বলে?
ক. দ্বিত্ব ব্যঞ্জন
খ. যুক্তব্যঞ্জন
গ. সাধারণ যুক্তব্যঞ্জন
ঘ. স্বচ্ছ যুক্তব্যঞ্জন

৬৪। ব্যঞ্জনদ্বিত্ব ছাড়া সব ব্যঞ্জনসংযোগকে কী বলে?
ক. দ্বিত্ব ব্যঞ্জন
খ. যুক্তব্যঞ্জন
গ. সাধারণ যুক্তব্যঞ্জন
ঘ. স্বচ্ছ যুক্তব্যঞ্জন

৬৫। যুক্তব্যঞ্জন কত প্রকারের?
ক. ২
খ. ৩
গ. ৪
ঘ. ৫

৬৬। পূর্বের ও পরের ধ্বনির প্রভাবে ধ্বনির যে-পরিবর্তন তাকে কী বলে?
ক. ধ্বনি-পরিবর্তন
খ. প্রতিবেশ
গ. ধ্বনি-রূপান্তর
ঘ. ধ্বনিলোপ

৬৭। ধ্বনির পরিবর্তন বা মিলন যখন স্বরধ্বনির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, তখন তাকে বলে-
i. স্বরসন্ধি
ii. ব্যঞ্জনসন্ধি
iii. বিসর্গ সন্ধি
নিচের কোনটি ঠিক?
ক. i
খ. ii
গ. i ও ii
ঘ. i, ii ও iii

৬৮। অ-ধ্বনির পর আ-ধ্বনি থাকলে উভয়ে মিলে কী হয়?
ক. ই
খ. উ
গ. আ
ঘ. ঈ

৬৯। ই-ধ্বনির পর ঈ-ধ্বনি থাকলে উভয়ে মিলে কী হয়?
ক. আ
খ. ই
গ. উ
ঘ. ঈ

৭০। অ বা আ-ধ্বনির পরে ই বা ঈ-ধ্বনি থাকলে উভয়ে মিলে কী হয়?
ক. এ
খ. ঈ
গ. উ
ঘ. আ

৭১। 'পরীক্ষা' শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
ক. পরি+ইক্ষা
খ. পরী+ইক্ষা
গ. পরি+ঈক্ষা
ঘ. পরী+ঈক্ষা

৭২। সন্ধির ফলে-
i. উচ্চারণে স্বাচ্ছন্দ্য আসে
ii. শ্রুতিমাধুর্য বাড়ে
iii. ভাষা সংক্ষিপ্ত হয়
নিচের কোনটি ঠিক?
ক. i
খ. ii
গ. i ও ii
ঘ. i, ii ও iii

Content added By
Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...